বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সীমান্ত রক্ষায় দেশীয় রোবট

robot স্বল্প খরচে এবং সহজ নিয়ন্ত্রণযোগ্য একটি রোবট তৈরি করেছে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের দুই শিক্ষার্থী। এরা হলেন কাউসার আহমেদ ও শরিফ হোসেন রাসেল। এই রোবটটি সীমান্ত রক্ষায় এবং ধ্বংসস্তুপে উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা যাবে। রোবটির ‍উদ্ভাবকরা জানান, রোবটি পরিচালনার জন্য তারা একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করেছেন। এটি স্মার্টফোনের মাধ্যমেই পরিচালনা করা যাবে। রোবটি স্মার্টফোনের ব্যাটারি থেকেই প্রয়োজনীয় শক্তি সংগ্রহ করে। শিক্ষার্থীরা জানান, রোবটির উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু সেন্সর এবং ক্যামেরা প্রয়োজন। এসব যন্ত্রপাতি কেনার মত প্রয়োজনীয় অর্থ তাদের নেই। প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং অর্থ পেলে তারা এটিকে আরও যুগপোযোগী করা হবে।
mobile-apps
এদিকে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেদোয়ান রিজন একটি রাউটার তৈরি করেছেন। যেটি একই সঙ্গে ১০০টি কম্পিউটারকে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে সক্ষম। এটি বানাতে খরচ হয়েছে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমরাজ হোসেন তৈরি করছেন একটি মোবাইল অ্যাপস। ৩৩০ কিলোবাইট সাইজের এই অ্যাপসটি দিয়ে মোবাইল ফোনের যাবতীয় সংকেত ভয়েস আউটপুটের মাধ্যমে জানা যাবে। এই অ্যাপসটি মূলত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য।
batch
সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত ও গাণিতিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন ড. হাসিন অনুপমা আজহারী বাংলামেইলকে বলেন, ‘ এই প্রথমবারের মত সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রদর্শন করলো। শিক্ষার্থীদেরকে এধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ভিত্তিক কাজে উৎসাহিত করতে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। প্রয়োজনে তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

মরণোত্তর সম্মাননা পেলেন প্রথম কম্পিউটার অপারেটর

বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার অপারেটর নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার হুলহুলিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান মো. হানিফ মিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা পদক দেয়া হয়েছে। আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কেন্দ্রে আইসিটি এক্সপোর সমাপনী অনুষ্ঠানে তার পরিবারের হাতে পদক  তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। মো. হানিফের পক্ষে পদক গ্রহণ করেন তার স্ত্রী, পুত্র শরীফ হাসান সুজন এবং নাতি ইরফান।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় এই পুরস্কার দেয়া হয়।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সভাপতি এএইচএম মাহফুজুল আরিফ, আইসিটি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, তথ্য ও প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বারসহ অন্যান্যরা।
hanif
ঢাকায় ১৯৬৪ সালে প্রথম কম্পিউটার আসে। কম্পিউটারটি ব্যবহার করা হয় পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে। সেখানে তিনি প্রথম কম্পিউটারটি ব্যবহার করেন। সেটি ছিল একটি আইবিএমের মেইনফ্রেম কম্পিউটার। ওটার মডেল ছিল ১৬২০।
ঐ কম্পিউটারটি তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে পাঠায়। কিন্তু এই যন্ত্র আগে পশ্চিম পাকিস্তানের বাসিন্দাদের কেই চোখে দেখেনি। তাই কেউ এটি ব্যবহারও করতে পারে না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে পূর্ব পাকিস্তানের একজনকে পাওয়া যায়। তার নাম মো. হানিফ। তিনি এই কম্পিউটারের ব্যবহার জানেন। ইতোপূর্বে তিনি অ্যানালগ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বিষয়ে ট্রেনিং করেছেন।
কিন্তু হানিফ মিয়া পাকিস্তানের লাহোরে গিয়ে এই কম্পিউটার চালাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ফলে পাকিস্তানের সরকার নিরুপায় হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয় কম্পিউটারটি।
ঢাউস আকৃতির সেই মেইনফ্রেম কম্পিউটারটি ঠাঁই হয় ঢাকার আণবিক শক্তি কমিশনের কার্যালয়ে। সেখানে হানিফ কম্পিউটারটি ব্যবহার শুরু করেন।
হানিফ মিয়ার জন্ম হয় ১৯২৯ সালের ১ নভেম্বরে নাটোরের সিংড়া উপজেলায়। তিনি মারা যান ২০০৭ সালের ১১ মার্চ।

কম্পিউটারে নগ্ন ছবি রাখার দায়ে যুবকের কারাদন্ড

কম্পিউটারে নগ্ন ছবি রাখার দায়ে এক যুবককে এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত সোমবার সন্ধ্যায় পৌর সদরের সরল বাজারে অভিযান চালিয়ে নগ্ন ছবি রাখার দায়ে গোপালপুর গ্রামের জনৈক শহীদুল গাজীর পুত্র সুজন গাজীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান  এবং তার ব্যবহৃত কম্পিউটারটি জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কবির উদ্দিন।

গুগল জিডিজি সম্মেলনে প্রশংসিত বাংলাদেশ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি প্রতিবেদক : গত ২৬ ও ২৭ মে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির মাউন্টেন ভিউয়ে গুগল ক্যাম্পাসের কম্পিউটার হিস্ট্রি মিউিজয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনব্যাপী গুগল ডেভেলপারস গ্রুপ বা জিডিজি গ্লোবাল সামিট। এই সম্মেলনের নির্ধারিত প্রথম আলোচনায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।
গুগল অনুবাদে মাতৃভাষার জন্য সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে নজির সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ। ইন্টারনেটে নিজের ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে বাংলাদেশের এই উদাহরণ থেকে সারা পৃথিবীর শেখার আছে বলে জানান গুগল ট্রান্সলেট কমিউনিটির প্রোগ্রাম ম্যানেজার স্ভিটা কালম্যান।
গুগল অনুবাদে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে বাংলাদেশে গুগল ডেভেলপারস গ্রুপ বা জিডিজি বাংলার উদ্যোগে গত ২৬ মার্চ আয়োজিত ‘বাংলার জন্য চার লাখ’ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় সম্মেলনের প্রথম আলোচনায়। সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, ওইদিন বাংলার জন্য অনুবাদের সংখ্যা ছিল সাত লাখের বেশি। সেই সঙ্গে আগামী ৫ জুনের মধ্যে বাংলাদেশের এই রেকর্ড ভাঙতে পারলে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। আর এই নজিরবিহীন অবদানের জন্য বিশেষভাবে প্রশংসিত হয় বাংলাদেশ।
জিডিজি সম্মেলনে এ বছর ১০০টির বেশি দেশ থেকে প্রায় ৪০০ জিডিজি কমিউনিটি ম্যানেজার অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে জিডিজি বাংলার দুই কমিউনিটি ম্যানেজার জাবেদ সুলতান পিয়াস, জাবেদ মোর্শেদসহ মোট ৫ জন অংশ নিয়েছেন জিডিজির সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে।
সম্মেলনের প্রথম দিনে গুগল ট্রান্সলেট কমিউনিটি ছাড়াও গুগল ডেভেলপার এক্সপার্ট প্রোগ্রাম, গুগল এডুকেশন প্রোগ্রাম, গিটবুক, কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট, গুগল লঞ্চপ্যাডনসহ গুগলের বর্তমান ও ভবিষ্যত কিছু প্ল্যাটফরম নিয়ে আলোচনা করা হয়। সবার জন্য ছিল পারস্পরিক যোগাযোগের বিশেষ কর্মশালা। সম্মেলেনর দ্বিতীয় দিন বুধবারে গুগলের বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে ২৬টি বিষয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
জিডিজি সম্মেলনের পর ২৮ ও ২৯ মে স্যান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত হবে গুগলের সবচেয়ে বড় বার্ষিক সম্মেলন গুগল আইও। বরাবের মতো এ বছরও এই সম্মেলন থেকে গুগলের নতুন কোনো প্রযুক্তিগত চমকের ঘোষণা আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিজিজি সম্মেলেনর আগে গত ২৫ মে গুগলের নান্দনিক অফিসের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখানো হয় অংশগ্রহণকারীদের। তুলে ধরা হয় গুগলের এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাস।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসে ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাংলা’ শ্লোগানে ইন্টারনেটে বাংলা ভাষাকে ছাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শুরু হয়, বাংলাদেশে গুগল ডেভেলপারস গ্রুপ ‘জিডিজি বাংলার’ কার্যক্রম।
গুগল ট্রান্সলেটে বাংলা অনুবাদের সুবিধা থাকলেও এটি আগে তেমন সমৃদ্ধ ছিল না। গুগলের বাংলা ভাষাভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ ‘জিডিজি বাংলা’ গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সবার অংশগ্রহণে বাংলা অনুবাদ সেবা সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়। আর এই কার্যক্রমের জন্যই জিডিজি সম্মেলনে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
আগ্রহী যে কেউ https://translate.google.com/community ঠিকানার ওয়েবসাইটে গিয়ে গুগল অনুবাদে বাংলা শব্দ যোগ করতে বা বাক্য গঠন, সংশোধন করতে পারবেন।

সিমের দাম কমছে, মোবাইল ফোন খরচ বাড়ছে

সিম কার্ড ইস্যুর ওপর কর কমানো হচ্ছে। মোবাইল ফোন খাতের উন্নয়ন ও এই ফোনের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সহজলভ্য করতে সিম কার্ড ইস্যুর ওপর ৩০০ টাকা শুল্ক-কর কমিয়ে ১০০ টাকা ধার্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেইসঙ্গে সিম বা রিম কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া সেবার ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপেরও প্রস্তাব করা হয়েছে
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের সিম কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা এবং প্রতিস্থাপিত সিম কার্ডের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা শুল্ক কর ধার্য আছে। মোবাইল ফোন খাতের উত্তরোত্তর উন্নয়নের স্বার্থে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার সহজলভ্য করার লক্ষ্যে তথা এ খাতের সার্বিক সুষম প্রবৃদ্ধির জন্য সিম কার্ড ইস্যু এবং প্রতিস্থাপিত সিমকার্ড উভয় ক্ষেত্রে ১০০ টাকা শুল্ক-কর ধার্য করার প্রস্তাব করছি। মোবাইল ফোনের সিম বা রিম কার্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করছি।’
এর আগে ২০১৩ সালের মে মাসে ৬০০ টাকা থেকে প্রতি সিম কার্ডের ওপর কর কমিয়ে ৩০০ টাকা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সিমের ওপর আরোপিত এই কর গ্রাহককে নয় বরং মোবাইল ফোন অপারেটরকে দিতে হয়। ফলে অনেক দিন ধরেই এ কর কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিল মোবাইল ফোন অপারেটররা।

চালকবিহীন গাড়ির জন্য ৭০ মাইল রাস্তা

গুগল অনেকদিন ধরেই চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে কাজ করছে। গুগলের মতো অন্যরাও এ নিয়ে বেশ মাথা ঘামাচ্ছে। চলছে নানা গবেষণা। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া প্রদেশের সরকার এবার এগিয়ে গেল এ ধরনের গাড়ির গবেষণায় সাহায্য করতে।
ভার্জিনিয়ার ৭০ মাইল রাস্তা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে চালকবিহীন গাড়ি চালানোর জন্য। এই প্রজেক্টের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভার্জিনিয়া অটোমেটেড করিডরস’। এর তত্ত্বাবধানে রয়েছে ভার্জিনিয়া টেক ট্রান্সপোর্টেশন ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই)।
তবে এই রাস্তায় চালকবিহীন গাড়ির পরীক্ষা চালানোর আগে ভিটিটিআইয়ের একটি পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
যেসব গাড়ি সফলভাবে পরীক্ষায় উতরে যাবে, তাদের জন্য লাইসেন্স প্লেট এবং ইন্স্যুরেন্স দেবে ভিটিটিআই। চালকবিহীন গাড়ির জন্য এই রাস্তায় আলাদা লেন তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে ট্রান্সপোর্টেশন বিভাগের।
চালকবিহীন গাড়ির জন্য নকিয়ার হিয়ার ম্যাপ তৈরি করছে একটি ত্রিমাত্রিক মানচিত্র। এর মাধ্যমে গাড়িগুলো তাদের জন্য আলাদা লেন চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট লেনে গাড়ি চালাতে পারবে।
বিশেষ লেনে গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আগামী বছরের মধ্যেই ভার্জিনিয়ার রাস্তায় চলার অনুমতি পেতে পারে চালকবিহীন গাড়ি।

ফেসবুক আইডি রক্ষায় জন্য সাতটি গুরুত্বপূর্ন টিপস!

আজকের দিনের টেক সচেতন একজন ব্যাক্তিকে যদি জিজ্ঞেস করেন তার ফেসবুক আইডি আছে কিনা? এবং উত্তর না হবে এটা খুজে পাওয়া ভার। কারন আজকাল ব্যক্তিগত প্রয়োজন থেকে শুরু করে ব্যবসায়িকসহ প্রায় সব কাজেই এখন ফেসবুক চাহিদা মিটাচ্ছে। এই যেমন চ্যাটিং, ভয়েস কল কিংবা সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল দূরে থেকেও কাছে থাকা। আর ফেইসবুকের জনপ্রিয়তার প্রমান আপনারা গত কয়েক বছরের দিকে তাকালেই পেয়ে যাবেন। ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড জায়েন্ট, গুগলকে কে না চিনে, সেই গুগলকে পিছনে ফেলে সবচেয়ে বেশি ভিজিটেড সাইট হিসেবে উঠে এসেছে ফেইসবুক । অবশ্য ২০১০ এ এই ফেইসবুক ১০ এর ঘরেই ছিলো, এবং বিগত ৩-৪ বছর তারা সামনেই আগাচ্ছে। ফেবুর জনপ্রিয়তার প্রতিদ্বন্ধি হিসেবে গুগল প্লাস মাঠে আছে তাই দেখা যাক গুগল আর এফবির খেলায় কে যেতে।
ফেসবুক আইডির নিরাপত্তায় ৭ টি মন্ত্র
খেলায় যেই জিতুক শেষ পর্যন্ত আজকে আমরা আলাপ করবো ফেইসবুক আইডির নিরাপত্তা নিয়ে। নিচে দেখা যাক এর প্রতিরোধের কিছু উপায়, যা অবলম্বন করলে হয়তো আপনি ক্ষতি থেকে আপনার আইডি রক্ষা করতে পারবেননা, কিন্তু অনেকটা সুবিধাজনক পর্যায়ে রাখতে পারবেন।
১. হুমকি ধামকি চলবেনাঃ
কাউকে ভুলেও, মজা করেও ফেইসবুকে থ্রেট দেওয়া যাবে না। আবার গালিগালাজ করা থেকে ও বিরত থাকতে হবে। নাহলে কেউ যদি রিপোর্ট করে আইডির আশা ছেড়ে দিতে হবে।
২. শক্তিশালী পাশওয়ার্ড প্রয়োগঃ
কোন আইডির সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে মিশ্র ধরনের পাশওয়ার্ড এর দিকে নজর দিতে হবে। মানুষ সবসময় যে কমন ভুলটা করে তা হল নিজের ডিটেলস দিয়ে পাশওয়ার্ড দেয়, কিন্তু তা মোটেও নিরাপদ না। যেমনঃ নিজের নাম, পরিবারের কারো নাম, জন্ম তারিখ কিংবা মোবাইল নাম্বার এ ধরনের তথ্যাদি। মনে রাখবেন পাশওয়ার্ড দিতে গেলে বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষর যেকোন অংক, স্পেস ইত্যাদি ব্যবহার করবেন। আর স্পেশাল চিহ্ন ও রাখতে পারেন। যথাঃ *, %, # ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন। পাসওয়ার্ডের মোট অক্ষর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কমপক্ষে ৬ সংখ্যার পাশ দিতে হলেও চেষ্টা করুন যাতে মিনিমাম ১০-১৫ অংক বিশিষ্ট হয়। আর পাসওয়ার্ডকে যাতে ভুলে না যান সেজন্য অন্য কোথাও সংরক্ষন করুন।
৩. নিয়মিতভাবে পাশওয়ার্ড পরিবর্তনঃ
নিয়মিত ভাবে নতুন পাসওয়ার্ড দিন, দেখবেন তাতে পাশ ফাস হলেও ভয়ের কিছু থাকবেনা। আর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে Forgot Password নামক অপশনটিতো অপেক্ষা করছেই আপনাকে হারানো পাশ ফিরে পেতে।
৪. ব্যাক্তিগত তথ্য সম্বন্দে সাবধানতাঃ
প্রোফাইলে এমন কোন তথ্য দিবেন না যাতে দুষ্টচক্র এর হাতে আপনার তথ্য পাচার হয়ে যায়, আর সেই তথ্য থেকেই আপনার পাশওয়ার্ড ব্রেক হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিরাপদ হল সেইসব তথ্য কাউকে না দেওয়া। এবেপারটা ব্যবহার করে আমি নিজে ৬ টা আইডি চেষ্টা করে ১০০% সফল হয়েছি। সো ডন্ট ডু দ্যাট, অবশ্য আমি তাদের দূর্বলতা চেক করার উদ্দেশ্যেই সেটা করেছি।
৫. অপরিচিত/ফেক একাউন্টকে বন্ধু বানাবেন নাঃ
একটা অপরিচিত ব্যাক্তিকে কখনোই রিকোয়েষ্ট বা এক্সেপ্ট করা উচিত নয়, কারন এটা আপনার জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাড়াতে পারে। তাই ছবিহীন প্রোফাইল বা প্রয়োজনীয় ইনফো ছাড়া কাউকে এড করা কোন ভাবেই উচিত নয়।
৬. লিঙ্ক ক্লিকে সতর্কতাঃ
ধরুন আপনাকে কেউ একজন একটা লিঙ্ক দিল, কিন্তু আপনাকে সেই লিঙ্কে ক্লিক করার আগে বেশ কয়েকবার চিন্তা করা উচিত। যেমন এমন হল এটা পিশিং লিঙ্ক, বা কুকি ষ্টিলিং স্ক্রিপ্ট বা বিপদ জনক কিছু, যা আপনার যেকোন প্রাইভেসি ভাংতে পারে।
৭. ইমেইল সূরক্ষা ও এর সতর্ক ব্যবহারঃ
ইদানিং সবচেয়ে বেশি হ্যাক হয় ইমেইল এর মাধ্যমে, তাই ইমেইল এড্রেসের কোন লিঙ্কে যদি ব্যাক্তিগত তথ্য চায়, তাহলে ভুলেও সেই খানে কিছু দিবেননা, আর ফেইসবুকের হ্যাক কিন্তু ইমেইল দিয়েই করা যায়, তাই আপনার ইমেইল এড্রেসের পাশওয়ার্ডও অনেক ষ্ট্রং করবেন, নাহলেতো বুঝতেই পারছেন।
আর সবসময় খেয়াল রাখবেন www.facebook.com এর লিঙ্ক ছাড়া আর বাকি সব লিঙ্ক ফেইক যেমন www.faceb00k.com। কি দেখতে একই মনে হচ্ছে তাইনা, কিন্তু বিপদ এখানেই
কাজেই কখনো এই ধরনের মেইলে ক্লিক করবেন না। কারন এগুলো ফিশিং সাইট, যা ফেইক অর্থাৎ ভুয়া।
এই কয়েকটা পয়েন্ট কাজে লাগিয়ে আশাকরি আপনি বেশ শক্ত একটা অবস্থানে যেতে পারবেন, আপনার আইডিকে ৬০% সেফার বলতে পারবেন

দেশি সামাজিক যোগাযোগের সাইট বিজয়বুক


অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ বলতেই আমরা বুঝি ফেসবুক, টুইটার। দুটি প্রতিষ্ঠানই বিদেশি। আমাদের দেশি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের সংখ্যা কম হলেও এ নিয়ে কাজ চলছে। তেমনই একটি দেশীয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ‘বিজয়বুক’। নতুন এই বাংলা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের উদ্যোক্তা বিজয় দত্ত।
এনটিভি অনলাইনের সঙ্গে আলোচনায় তিনি জানান বিজয়বুকের বিস্তারিত। নিজের আগ্রহ থেকেই তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন সাইট নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। নিজের সাইট তৈরির আগে দেখে নেন বাংলাদেশের অন্যান্য সাইটের অবস্থা।
সাত-আট মাস ধরে বিভিন্ন সাইট দেখে সিদ্ধান্ত নেন, বাংলাদেশি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট তৈরির। সে ভাবনা থেকেই এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে কাজ শুরু করেন বিজয়বুকের। গত ৪ মে সাইটটি ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
কেমন সাড়া পাচ্ছেন—জানতে চাইলে বিজয় বলেন, ‘মাত্র দুই মাসে ৬০ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে বিজয়বুকে। সব সময়েই অনলাইনে ১৫ থেকে ২০ জন ব্যবহারকারী অ্যাকটিভ রয়েছেন এবং দিন দিন এর সংখ্যা বাড়ছে।’
ফেসবুক, টুইটার থাকার পরও কেন বিজয়বুক? এমন প্রশ্নের জবাবে বিজয় বলেন, ‘এখানে পোস্ট দিলে পোস্টগুলো পিন আকারে দেখা যাবে। হ্যাশট্যাগ দিয়ে পোস্টগুলো আলাদা করা যাবে। নিজের পোস্টকে ব্যবহারকারীরা প্রমোট করতে পারবেন। ফেসবুক, টুইটার, পিন্টারেস্ট—তিনটা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের সুবিধাই এখানে একসঙ্গে পাবেন ব্যবহারকারীরা। তবে এখানে কাউকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো যাবে না, শুধু ফলো করা যাবে। অর্থাৎ ফলো করা থাকলে একজন ব্যবহারকারী অন্যদের পোস্টগুলো দেখতে পারবেন। সে সঙ্গে ভিডিও এবং ছবি শেয়ার করা যাবে।’
বিজয়বুক সাইটটি প্রতিনিয়ত আপগ্রেডেশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বিজয়। ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য টুইটার ও ইয়াহু অ্যাকাউন্ট দিয়েও ব্যবহার করা যাবে বিজয়বুক। ফেসবুক দিয়েও যেন বিজয়বুক ব্যবহার করা যায়, সেটা নিয়ে কাজ চলছে। সে সঙ্গে গুগল সার্চ যোগ করারও কাজ চলছে।
বিজয় বলেন, ‘বিজয়বুকের হোমপেজটাকে আরেকটু আলাদা করার চেষ্টা করছি। প্রতিদিন নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত হচ্ছেন সাইটটিতে, তাঁদের সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিজয় বলেন, ‘বাংলাদেশের সাইটগুলোর জন্য অ্যাড নেটওয়ার্ক তৈরির ইচ্ছা আছে। সেটা নিয়ে কাজ করছি। এ ছাড়া বাংলায় প্রযুক্তি কনটেন্ট দেওয়ার জন্য তৈরি করেছি টেকলাইভবিডি ডটকম নামে একটি ওয়েবসাইট, যাতে পাঠক-লেখক তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে পারেন।’
বিজয়বুক সাইটটি প্রতিনিয়ত আপগ্রেডেশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বিজয়। ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য টুইটার ও ইয়াহু অ্যাকাউন্ট দিয়েও ব্যবহার করা যাবে বিজয়বুক। ফেসবুক দিয়েও যেন বিজয়বুক ব্যবহার করা যায়, সেটা নিয়ে কাজ চলছে। সে সঙ্গে গুগল সার্চ যোগ করারও কাজ চলছে।
বিজয় বলেন, ‘বিজয়বুকের হোমপেজটাকে আরেকটু আলাদা করার চেষ্টা করছি। প্রতিদিন নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত হচ্ছেন সাইটটিতে, তাঁদের সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিজয় বলেন, ‘বাংলাদেশের সাইটগুলোর জন্য অ্যাড নেটওয়ার্ক তৈরির ইচ্ছা আছে। সেটা নিয়ে কাজ করছি। এ ছাড়া বাংলায় প্রযুক্তি কনটেন্ট দেওয়ার জন্য তৈরি করেছি টেকলাইভবিডি ডটকম নামে একটি ওয়েবসাইট, যাতে পাঠক-লেখক তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে পারেন।’

ইসলামী ব্যাংক কে সতর্ক করলো সাইবার ৭১

বাংলাদেশী হ্যাকার গ্রুপ সাইবার ৭১ দেশের শীর্ষস্থানীয় “ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড” কে অনলাইন ব্যাংকিং এর নিরাপত্তা জোরদারের তাগিদ দিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে । গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে সতর্কবার্তাটি প্রচার করে। বার্তাটি হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
“Islami Bank Bangladesh Ltd. প্রথমেই বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাঙ্কের তালিকায় আপনাদের নাম আসায় অভিনন্দন জানাচ্ছি..।
ব্যাংকিং সেবা এমন এক ধরণের সেবা যেটির সফলতা নির্ভর করে সুযোগ সুবিধা, সহজ ব্যাবস্থা এবং সুষ্ঠু নিরাপত্তার উপর ভিত্তি করে। কিন্তু আফসোসের বিষয়, বাস্তবিক নিরাপত্তা ঠিক থাকলেও ভার্চুয়াল নিরাপত্তা আপনাদের বিন্দুমাত্র নেই। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যে, যেখানে আপনাদের অনলাইনে অর্থ লেনদেন এবং অ্যাকাউন্ট মেইন্টেইনের ব্যাবস্থা রয়েছে সেখানে কিভাবে আপনারা আপনাদের ওয়েবসাইট দুর্বল অবস্থায় ফেলে রাখেন??!! 
আপনাদের ওয়েবসাইটটি অনেক বেশি নিরাপত্তা ত্রুটিতে ভুগছে।
এই দুর্বলতাগুলো ঠিক না করলে বাংলাদেশ বা বাহিরের দেশের অসাধু হ্যাকাররা আপনাদের শুধু সাইটটির ক্ষতিই নয়, অনলাইনে লেনদেনকৃত সকল অর্থ হাতিয়ে নেবে।
তাই যত দ্রুত সম্ভব আপনারা ওয়েবসাইটটি নিরাপদ করে ফেলুন। বিস্তারিত জানতে বা যে কোন ধরণের সহায়তায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। যাদের ইসলামী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে তারা নিজেদের স্বার্থেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবেন।
নিজে সতর্ক থাকুন, অপরকে নিরাপদ রাখতে উৎসাহিত করুন। “সাইবার ৭১” ।”