শিক্ষাঙ্গন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষাঙ্গন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি আবিদ, সম্পাদক প্রিন্স


abid_princeঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবিদ আল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স।
বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল ইসলাম এ কথা জানান।গত ১১ জুন ঢাবিতে শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনের পর বৃহস্পতিবার বিকালে এই কমিটি ঘোষণা করা হলো।
বরিশালের ছেলে আবিদ আল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের এবং বাগেরহাঠের ছেলে মোতাহার হোসেন প্রিন্স ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।আবিদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আর প্রিন্স ছিলেন ঢাবির মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।DU-BCL

শিক্ষার্থীর অজান্তেই ফরম পূরণ, ১৮ কলেজকে নোটিশ

Ctg-Hsc-4 শিক্ষার্থীদের অনুমতি ছাড়াই আবেদন ফরম পূরণ করে দেয়ার অভিযোগে ১৮ কলেজেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। ঢাকা, যশোর, কুমিল্লা ও বরিশাল বোর্ডের এই ১৮টি কলেজের মধ্যে ২টি কলেজ কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিয়েছে। বাকিরা এখনো নিশ্চুপ। সঠিক জবাব দিতে না পারলে কলেজগুলোর স্বীকৃতি বাতিল করতে পারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আসফাকুস সালেহীন বাংলামেইলকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে তারপরই ১৮টি কলেজকে চিহ্নিত করে কারণ দর্শানোর চিঠি দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত (বুধবার বিকেল) দুইটি কলেজ নোটিশের জবাব দিয়েছে। বাকিরাও আগামী দু’একদিনের মধ্যে জবাব দেবে বলে আশা করছি। নোটিশের জবাব না দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা যায়, একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ঢাকা, যশোর, কুমিল্লা ও বরিশাল বোর্ডের ১১টি কলেজকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা বোর্ডে আরো প্রায় ১৫টি কলেজকে নজরদারিতে রেখেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ঢাকা বোর্ডের কলেজগুলো হলো- রাজধানীর দক্ষিণখানের মোল্লারটেক উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টঙ্গীর সাহাজ উদ্দিন সরকার মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল ও টঙ্গী কলেজ। আর যশোর বোর্ডের অধীনে কলেজগুলো হলো- যশোরের চৌগাছা ডিগ্রি কলেজ, চৌগাছার এ.বি.সি.ডি কলেজ, চৌগাছার জিসিবি কলেজ, চৌগাছার মৃধাপাড়া মহিলা কলেজ, খুলনার পাইকগাছার লক্ষীখোলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাগুরার শালিখা’র আড়পাড়া কলেজ, যশোর চৌগাছার আজ-জামতলা কলেজ।
তবে অন্যান্য বোর্ডের কলেজগুলোর নাম এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সূত্রে আরো জানা যায়, কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চলতি বছর মাধ্যমিক বা এসএসসি পরীক্ষা যারা উত্তীর্ণ হয়েছে, সেসব শিক্ষার্থীর অনুমতি না নিয়ে তাদের রোল নম্বর সংগ্রহ করে নিজেরাই অনলাইনে ভর্তির আবেদন ফরম পূরণ করেছে তারা। এখন শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে গেলে তাদের আবেদন হয়ে গেছে ফরমে উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে, অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদনে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির অভিযোগের স্তূপ জমেছে শিক্ষাবোর্ডগুলোতে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগে হিমশিম খাওয়া বোর্ডগুলো সম্মিলিতভাবে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির সময়সীমাও তিনদিন বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২১ জুন পর্যন্ত একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
এ বিষয়ে আসফাকুস সালেহীন বলেন, ‘অনলাইনে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের সমস্যার অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। সেসব সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে সময়সীমা বৃদ্ধির বিষয়টি আসলে সবার জন্যই করা হয়েছে। অনেকেই নানা সমস্যার কারণে আবেদন করতে পারেননি। সব মিলিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।’
বুধবার বিকেল পর্যন্ত সারা দেশে থেকে প্রায় তিন হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোতে। তবে এর মধ্যে অধিকাংশই শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ভুল বলে জানা গেছে। তবে নানা ধরনের অভিযোগ পড়েছে প্রায় হাজার খানেক। অধিকাংশ অভিযোগই অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে, তাদের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। আবেদনে যেসব পছন্দের কলেজের নাম এসেছে তার কোনটিই তাদের পছন্দের নয়। এর বাইরে অনলাইনে আবেদন শেষ করে টেলিটকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধে সমস্যা, টাকা পাঠানো হলেও ফিরতি ম্যাসেজ না পাওয়া ইত্যাদি।
এসব সমস্যা সমাধান করার জন্য গত ৬ জুন থেকে শুরু হওয়া অনলাইনে ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়ার সংশোধনও আনা হয়। প্রাথমিকভাবে শুধু শিক্ষাবর্ষ, শিক্ষাবোর্ড ও রোল নাম্বার দিয়ে আবেদন করা যেতো।
পরবর্তী সময়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বরও যোগ করা হয়। কিন্তু তারপরও নানাবিধ সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগের বিষয়ে আসফাকুস সালেহীন বলেন, ‘আমাদের কাছে নানা সমস্যার অভিযোগ এসেছে। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে যেসব সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছি। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকে (বুধবার) অভিযোগের সংখ্যা অনেক কম। আশা করছি, ২১ জুনের মধ্যে সকল শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে।’
এদিকে, বুধবার পর্যন্ত ৮টি সাধারণ, কারিগরি ও মাদরাসা- এই ১০টি শিক্ষাবোর্ড থেকে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন ১০ লাখ ৭ হাজার ৭৬ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ২৭ লাখ ৭৫ হাজার ৯৪৭টি আবেদন করেছে। ২১ জুন আবেদন প্রক্রিয়া শেষে ২৫ জুন ফলাফল প্রকাশ পাবে। আর ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণীর ক্লাস শুরু হবে।

রাজারহাটের ঘড়িয়াল ডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে ক্লাশ করছে ছাত্র-ছাত্রীরা

রাজারহাটের ঘড়িয়াল ডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে ক্লাশ করছে ছাত্র-ছাত্রীরা thumbnail
কুড়িগ্রামে রাজারহাটের ঘড়িয়াল ডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরেও ভবনের বারান্দা ও মাঠে চলছে পাঠদানের কার্যক্রম। বিদ্যালয়টিতে হয়নি কোন সংস্কার কিংবা নতুন ভবনের ব্যবস্থা। এতে আতংকিত হয়ে পড়েছে অভিভাবক মহল। বিদ্যালয়ের বেহালদশার কারণে কমতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার শত বছরের পুরাতন ঘড়িয়াল ডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এটি নির্মিত হয় ১৯১৪ সালে । ১৯৬৮ সালে বিদ্যালয়টিতে ৫ রুম বিশিষ্ট একতলা ভবন নিমার্ণ করা হয়। সর্বশেষ ২০০৯ সালে এই বিদ্যালয়ের ছাদ সংস্কারে ৭০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। দীর্ঘ সময় পার হলেও নির্মিত হয়নি কোন নতুন ভবন। ফলে শিক্ষকরাও বিদ্যালয়ের বারান্দা এবং মাঠে ক্লাশ করে চালিয়ে যাচ্ছেন পাঠদানের কার্যক্রম।
উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কয়েকবার পরিদর্শন করে ২০১৩ সালে সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ক্লাস নেয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিলেও উপায় না থাকায় এভাবেই চলছে স্কুলটি। পরিত্যক্ত রয়েছে ২টি ক্লাস রুমও। এতে করে স্কুলটির মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে অসন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেছেন অভিভাবক মহল।
ভবনটিতে ফাটল ও পলেস্তারা খুলে খুলে পড়ছে। নানা সংকটে জরাজীর্ণ স্কুলটিতে বর্তমানে ২শ ৩৯ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনা করছে। বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের  একটি রুমে গাদাগাদী করে ক্লাশ করতে হয়। আর কিছু ছাত্র-ছাত্রীকে বারান্দা অথবা খোলা মাঠে  পাঠদান করান শিক্ষকরা। দূর্ঘটনা এড়াতে অনেক অভিভাবক সরিয়ে নিচ্ছেন তাদের সন্তানদের।
শিক্ষার্থীরা বলছে দীর্ঘদিন থেকে বাইরে ক্লাস করায় তারা নানানমুখি সমস্যায় পড়ছে। ঝড়-বৃষ্টি হলেই আতংকে ছুটে চলে যায় বাড়ি। আর এতে করে তারা চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পড়াশুনায়।
বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্র সোহেল জানান, আমাদের ক্লাস রুম নাই। আমরা কষ্ট করে পড়া-লেখা করছি। আমরা আমাদের ক্লাস রুম চাই।
বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর অবিভাবক নজরুল ইসলাম জানান, এভাবে কোন বিদ্যালয় চলতে পারে না। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না করলে আমি আর আমার মেয়েকে ঐ স্কুলে পাঠাবো না।
ঘড়িয়াল ডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক, ফাতেমা খাতুন জানান, রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বারান্দার নীচে বা মাঠে বসে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনা করছে। এতে তারা যেমন কষ্ট পাচ্ছে, তেমন বিড়ম্বনায় আছে শিক্ষকরাও।
রাজারহাট উপজেলা শিক্ষা অফিসার আকতারী পারভীন জানান, ঘড়িয়াল ডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যারয় ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হওয়া সেটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মার্ণের জন্য একাধিকবার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মার্ণের কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। দ্রুত সরকার শত বছরের পুরাতন এই বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার মান ঠিক রাখতে নতুন ভবন নির্মাণের অনুরোধ করেন।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার জানান, উপজেলা শিক্ষা কমিটি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বার বার নতুন ভবন নির্মাণের চিঠি পাঠনো হচ্ছে। কিন্তু নতুন ভবন নির্মাণের বরাদ্দ না আসায় ভবন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৫ জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২৭ জুন

 
1434337497শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক : আগামী ২৭ জুন প্রাথমিকভাবে দেশের পাঁচটি জেলা ডিজিটাল প্রদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলায় এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়িয়ে নির্বিঘ্নে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করা গেলে অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ও পাবলিক পরীক্ষায় এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত ডিসেম্বর মাসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সার্কুলার জারি করেছিল। এর আগের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় (২০১৩ সালে শুরু হয়ে ২০১৪ সালে সম্পন্ন) ব্যাপক হারে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কারণে এবার পরীক্ষায় ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় ডিজিটালাইজ প্রদ্ধতিতে নেওয়া হচ্ছে এই পরীক্ষা। এত দিন সরকারি মুদ্রণালয় বিজি প্রেসে প্রশ্ন ছাপিয়ে পরীক্ষার কয়েক দিন আগেই তা বিতরণ করা হতো। ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে প্রশ্ন ছাপিয়ে পরীক্ষার ঠিক আগ মুহূর্তে তা কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সন্তোষ কুমার অধিকারী জানান, আগের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর প্রশ্ন মডারেশনের দায়িত্ব ছিল ময়মনসিংহে অবস্থিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) ওপর। আর ছাপানোর দায়িত্বে ছিল বিজি প্রেস। এবারের ডিজিটালাইজ পরীক্ষা পদ্ধতিতে উল্লিখিত দুই প্রতিষ্ঠানের কোনোই সম্পৃক্ততা থাকছে না। এবার প্রশ্ন প্রণয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে আলাদা দল গঠন করা হয়েছে। এই দল পরীক্ষার দিন (২৭ জুন) সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে মন্ত্রণালয়ে বসে প্রশ্ন তৈরি করে দেবে। সেই প্রশ্ন অনলাইনের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হবে জেলা প্রশাসকদের কাছে। জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজ নিজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে একসঙ্গে প্রশ্ন ডাউনলোড করবেন। দ্রুতগতির একাধিক ফটোকপি মেশিনে প্রশ্নপত্র কপি করে প্যাকেটে পুরে নিয়ে যাওয়া হবে পরীক্ষাকেন্দ্রে। দুপুর ১২টার মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। জেলা পর্যায়ে প্রশ্ন ছাপানোর চার ঘণ্টার পুরো প্রক্রিয়া সিসি টিভিতে ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়া তদারকির জন্য প্রতিটি জেলায় পাঠানো হবে মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তাকে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জ্ঞানেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, ‘যেহেতু একটি নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে তাই প্রাথমিকভাবে যেসব জেলায় প্রার্থী সংখ্যা কম সেই জেলাগুলোকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ডিজিটালি প্রশ্ন ছাপিয়ে সফলভাবে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া গেলে একই পদ্ধতিতে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টিও ভাবা হবে।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৭ জুন নড়াইল, মেহেরপুর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও ফেনী জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই জেলাগুলোতে প্রার্থীর সংখ্যা সাত হাজারের বেশি নয়। মোট প্রার্থী ৩০ হাজার ৯৫২ জন। ওই দিনের পরীক্ষার ত্রুটি-বিচ্যুতি মূল্যায়ন করে জুলাই মাসে কয়েক ধাপে অন্যান্য জেলায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায় পরীক্ষা হবে নতুন প্রশ্নে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লম্বা ছুটি শুরু


school-closeশিক্ষাঙ্গন ডেস্ক: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হয়েছে রোজার ছুটি। সোমবার থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রোজার ছুটি শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে রোজার ছুটি শুরু হবে ১৮ জুন। আর উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে রোজার ছুটি শুরু হবে ৫ জুলাই থেকে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৩ জুলাই খুলবে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়। মাধ্যমিক স্তরের রোজার ছুটি ১৮ জুন শুরু হয়ে খুলবে ২২ জুলাই। উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের কলেজগুলোতে ৫ জুলাই ছুটি শুরু হয়ে খুলবে ২১ জুলাই।

প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২৭ জুন


Primary20150617180307ডেস্ক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৭ জুন শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত ৫টি জেলা নড়াইল, মেহেরপুর, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর ও ফেনী জেলায় এ পরীক্ষা দুপুর ২ টা থেকে ৩ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ২০ জুন থেকে বৈধ প্রার্থীদের মোবাইলে মেসেজ প্রেরণ করা হবে এবং ২২ জুন থেকে প্রার্থীগণ নিজ প্রবেশপত্র dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইট; www.dpe.gov.bd এ পাওয়া যাবে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন ধরণের বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোন কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন ও ভ্যানেটি ব্যাগ, পার্স, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি বা যে কোন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে পারবে না। যদি কোন পরীক্ষার্থী উল্লেখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হবে। অন্যান্য জেলাসমূহের পরীক্ষা পর্যায়ক্রমে পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হবে। এ জেলাসমূহের পরীক্ষার তারিখ, সময় ও যাবতীয় তথ্য পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।

খরচের চাপ পড়বে শিক্ষার্থীর উপর

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক: প্রতিনিয়ত বাড়ছে উচ্চ শিক্ষার খরচ। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার খরচ আগে থেকেই বেশি। তার ওপর সদ্য ঘোষিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপরে ১০ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এতে করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার খরচ আরো বাড়তে যাচ্ছে। যার চাপ গিয়ে সরাসরি পড়বে শিক্ষার্থীদের উপরে।
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্যে বলেন, ‘ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিপরীতে বর্তমানে সংকুচিত মূল্য ভিত্তিতে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য থাকলেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ওপর বর্তমানে মূসক আরোপিত নেই। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের পাশাপাশি এ খাতগুলোকেও মূসকের আওতায় আনার প্রস্তাব করছি। তবে কর সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে এ ক্ষেত্রে সঙ্কুচিত মূল্য ভিত্তিতে ১০ শতাংশ মূসক নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।’
এ বিষয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্বরিৎ ও ত্বরিৎ প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মিথুন রহমান বাংলামেইলকে বলেন, ‘আগে থেকেই আমাদের শিক্ষার খরচ বেশি। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খরচের পার্থক্যও অনেক। সেখানে আবার ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করলে শিক্ষার খরচ আরো বাড়বে। আর এ চাপ সরাসরি পড়বে আমাদের উপরে। এসব বিষয়গুলো সরকারের ভেবে দেখা উচিৎ বলে আমি মনে করি।’
একই প্রসঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহমিনা আমিন বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশে শিক্ষার খরচ কম। সেখানে আগে থেকেই আমাদের শিক্ষার খরচ বেশি। তার উপর আবার অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর। এর ফলে আমাদের শিক্ষার খরচ আরো বাড়বে। যেখানে সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির কথা বলছেন, সেখানে শিক্ষার খরচ বাড়ানো হচ্ছে। এটা মোটেও কাম্য নয়।’
বর্তমানে দেশের সরকারি অর্থাৎ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তি হয় ৬০ শতাংশ। সেখানে যদি করের বোঝা বাড়ে তাহলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনায় শিক্ষার্থীদের খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার সংখ্যাও বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেন, এর আগেও বিভিন্ন সরকারের আমলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপরে অতিরিক্ত করের প্রস্তাব করা হলেও, পরবর্তীতে তা বাতিল হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন বাংলামেইলকে বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উদ্যোক্তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত হয়ে আসছে। সেখানে ভ্যাট আরোপ করা যুক্তিযুক্ত নয়। ভ্যাট আরোপ করা হলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে এবং তার অতিরিক্ত অর্থ মূলতঃ শিক্ষার্থীদেরকেই বহন করতে হবে। যা শিক্ষার্থীর পরিবারের উপর যেমনি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে, তেমনি উচ্চশিক্ষার অগ্রগতিতে বিভিন্নভাবে বাধার সৃষ্টি করবে।’ এর পাশাপাশি অভিভাবকরা উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে সন্তানদের ভর্তি করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।
পূর্বের ইতিহাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অতীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কোনো প্রকার ভ্যাট দিতে হতো না। পরবর্তীতে সরকার ভাড়াকৃত স্পেসের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ করেছিল, যা পুনরায় ৯.৫%-এ ধার্য করা হয়। ফলে আমরা আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছি।’
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ বাংলামেইলকে বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাকে আলাদা করে দেখা উচিৎ। তাতেই আমাদের শিক্ষার উন্নয়ন হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যদি বেশি খরচ হয়, তাহলে সেটা শিক্ষার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে। শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের উপর থেকে যেকোনো ধরনের চাপ কমানোই সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।’
বেসরকারি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মতো মনে করে বলেই কর আরোপ করেছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও উচ্চশিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত কর আরোপ করার ফলে এ কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন- ইউজিসি’র তথ্য মতে, বাংলাদেশে এখন সবমিলিয়ে ৭৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ৭৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা ৮০ হাজার। বেসরকারি ৬৬টি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে আসন রয়েছে আরো সাড়ে ৬ হাজার। ২০১৪ সালে এইচএসসি পাস করে আট লাখ ৮৫ হাজার ৭০ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করে ৭০ হাজার ৬০২ জন। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত আসন আছে ৫১ হাজারের মতো। এর বাইরে বিভিন্ন কলেজে অনার্স পর্যায়ের আসন সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। ফলে প্রতিবছর প্রচুর শিক্ষার্থী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হয়।

পরীক্ষা ছাড়াই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তি

পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই ছাড়াই স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে আসন্ন (২০১৫-১৬) শিক্ষাবর্ষে পরীক্ষা ছাড়াই কেবল এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আজ শনিবার গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১৭তম সিনেটে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।
মেধা ও যোগ্যতা যাচাই ছাড়াই কেবল নিম্নস্তরের অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষার জন্য মনোনীত করার নজিরও বিশ্বের প্রথম হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদেরা। তারা বলেন, উচ্চশিক্ষার কফিনে এটি ‘শেষ পেরেক’ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে পরীক্ষা ছাড়া স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কেবল এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হবে। সিনেটে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। এর আগে গত মার্চ মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা ক্যাম্পাসে এক সংবাদ সম্মেলনে কোনো ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তি করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। আজকের সিনেট অধিবেশনে এ ব্যাপারে আলোচনা ও সিদ্বান্ত নেয়া হবে। এর প্রধানতম যুক্তি হচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় সময়ক্ষেপণ হয়। শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে এক বছরের মতো পিছিয়ে পড়তে হয়। এমনিতেই পরীক্ষার চাপে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নুয়ে পড়েছেন। তাই ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে।
এ দিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি কলেজগুলোকে সংলগ্ন ও বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত করার ব্যাপারে আবার তাগিদপত্র দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। বারবার পরীক্ষা পেছানো ও ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক শিক্ষার্থীর চাকরির বয়সও শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কলেজগুলোকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সে আলোকে গত ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) একটি কমিটি করলেও তা অনেকটাই নিষ্ক্রিয় বলে জানা গেছে। ওই কমিটিকে এক মাসের মধ্যে তাদের রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশনা থাকলেও গতকাল পর্যন্ত সেটি সম্পন্ন হয়নি বলে জানা গেছে…